• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই মায়ের ঠাঁই হল ওল্ডহোমে

5555নিউজ ডেস্ক: যে দুই ছেলেকে সারাজীবন বুকে আগলে রেখেছিলেন, সেই ছেলে দুটি কিনা আরাফাতুন নেছাকে (৮৫) রাস্তায় ফেলে পালিয়ে গেল। এক কাপড়ে অসুস্থ অবস্থায় রাস্তায় ৮/১০ দিন পড়ে ছিলেন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে নিয়ে ভর্তি করান হাসপাতালে। পেটের ছেলেরা যে দায়িত্ব পালন করেনি রক্তের সম্পর্ক নেই মানুষগুলো কিন্তু ঠিকই তাদের কর্তব্য পালন করেছে। আরাফাতুন নেছার এই করুণ কাহিনী জানতে পেরে এগিয়ে আসে গাজীপুরের একটি বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র।  শনিবার কেন্দ্রের লোকজন গৌরনদীর ওই হাসপাতালে এসে তাকে নিয়ে যায় কেন্দ্রে।
জানা গেছে, বোনের বাড়িতে নেয়ার কথা বলে গত ৩০ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে দূরপাল্লার একটি বাস থেকে আরাফাতুন নেছাকে নামিয়ে তার দুই ছেলে শামীম ও শাহিন গৌরনদীর কসবা ব্রিজের কাছে ফেলে পালিয়ে যায়। এক কাপড়েই রাস্তায় পড়ে ছিলেন তিনি। মলমূত্র ত্যাগ করে সেই কাপড়টিও নষ্ট হয়ে যায়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি স্থানীয়রা অসুস্থ আরাফাতুন নেছাকে ভর্তি করান হাসপাতালে। চিকিত্সকদেরও প্রাণান্ত চেষ্টা চলতে থাকে তাকে সুস্থ করতে। এক সপ্তাহ চিকিৎসকদের সেবায় তিনি সুস্থও হয়ে ওঠেন। এ নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকে ১০ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি দুটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। কিন্তু আরাফাতুন নেছার কোন আত্মীয়স্বজন তার খোঁজ নিতে আসেনি। এগিয়ে আসে রক্তের সম্পর্ক নেই এমন অনেকে।
গাজীপুরের মনিপুর বিশিয়া কড়িবাড়ি বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল জাহিদ মুকুল কেন্দ্রের সমন্বয়কারী মো. রবিউল ইসলামকে পাঠান গৌরনদীতে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ শনিবার আরাফাতুন নেছাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যায় গাজীপুরে। এসময় কর্তৃপক্ষ বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবেন তিনি আমাদের কাছেই পরম মমতায় থাকবেন।
হাসপাতালের চিকিত্সক সেকান্দার আলী মোল্লা জানান, আরাফাতুন নেছা দিন রাত তার দুই ছেলের নাম ধরে ডাকতেন। প্রসঙ্গত, শামীম ও শাহিনের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। উৎস:ইত্তেফাক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ